১৮ মে, ২০২৬
মোঃ মনির হোসেন বকাউল,
ছবি: বামে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ জারু, ডানে মৎস্যজীবী লীগ নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জুয়েল।
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহাবুদ্দিন আহমেদ জারুর বিরুদ্ধে চুরি ও মারামারির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন মৎস্যজীবী লীগের নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জুয়েল।
অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয়েই বৈষম্যবিরোধী জুলাই মামলার আসামি। তাদের মধ্যে একজন পলাতক এবং অপরজন জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
এদিকে, এ মামলাকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, শাহাবুদ্দিন আহমেদ জারু উপজেলার বাঘাশুরা ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা। রাজনৈতিক মামলার কারণে বর্তমানে তিনি এলাকা ছাড়া রয়েছেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগকারী সৈয়দ মোহাম্মদ জুয়েল, হবিগঞ্জ জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক। তিনি জানান, গত ২৯ এপ্রিল শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুর এলাকায় অবস্থিত তার মালিকানাধীন শাহজালাল ফিলিং স্টেশনে অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
এ সময় ভাঙচুর করে নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন।
এ ঘটনায় ১১ মে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় শাহাবুদ্দিনসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫–২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়, যা এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মামলার বাদী সৈয়দ মোহাম্মদ জুয়েল বলেন, “শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে আমার অনেক ক্ষয় ক্ষতি করেছে। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে এলাকায় অশান্তি বাড়তে পারে।”
অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি দাবি করেন, “তিনি রাজনৈতিক মামলার কারণে এলাকা ছেড়েছেন। বিষয়টি না জেনে মন্তব্য করা ঠিক নয়।”
ছবি: বামে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ জারু, ডানে মৎস্যজীবী লীগ নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ জুয়েল।
Good news
Good