১১ মার্চ, ২০২৬
সাকির আমিন,
ছবি: ছাতকে ব্যবসায়ীর সাথে প্রতারনা, পাওনা টাকা চাইলে দেয় প্রাণনাশের হুমকি
ছাতকে ব্যবসায়ীর সাথে প্রতারনা পাওনা টাকা চাইলে দেয় প্রাণনাশের হুমকি।
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিনের ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী বুলবুল আহমেদের কাছ থেকে ব্যবসার নামে দুই প্রতারক চক্র কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার খবর পাওয়া গেছে।
থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ছাতক পৌর শহরের পুরাতন কাষ্টম রোডের বানিজ্যিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় মেসার্স সিয়াম এন্টারপ্রাইজ নামে বালি পাথরের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন বুলবুল আহমেদ।
কিন্তু সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হলহলিয়া চরগাও গ্রামের আলী আহমদের ছেলে মাহমুদ হাসান ও সিলেটের টিলাগড় কালাশীল মহল্লার মিজানুর রহমানের ছেলে মুমিনুর রহমান পাটোয়ারীর সাথে পরিচয় হলে তারা হাজি বুলবুল আহমেদকে ব্যবসায় শেয়ার হওয়ার প্রস্তাব দেয়।
এতে তিনি সরল বিশ্বাসে রাজি হয়ে যান।ব্যবসার সুবাদে মাহমুদ হাসান ও মুমিনুর রহমান পাটোয়ারী বলেন সিলেটের কানাইঘাট লোভাছড়া এলাকায় তাদের মালিকানা ধীন কয়েকটি পাথরের ষ্টক (স্তূপ) রয়েছে। পরে হাজী বুলবুল আহমেদের ছোট ভাই মছরু মিয়াকে নিয়ে তারা স্তূপ পরিদর্শন করে বলে এ পাথর গুলো আমাদের।
মছরু মিয়া তাদের কথা বিশ্বাস করে বোল্ডার পাথর ক্রয়ের আলাপ আলোচনা করে একপর্যায়ে অগ্রিম হিসাবে তার ব্যবসা প্রতিষ্টান সিয়াম এন্টারপ্রাইজের উত্তরা ব্যাংক ছাতক শাখা হিসাব নং সিসি ০৭৫২৬৩০০০০০৩১৯০ নং হিসাব হতে মাহমুদ হাসানের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্টান মেসার্স মায়মুনা এন্টারপ্রাইজ নামে পূবালী ব্যাংকের হিসাব নং ০৪৯৬৯০১০৭৪৬৯৬ আরটিএস এর মাধ্যমে গত বছরের ৮ মে দশ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেন।
একিই ভাবে মুমিনুর রহমান পাটোয়ারী গত বছরের ২৬ মে তিন লক্ষ টাকা নেয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানাযায় যে এ পাথর গুলোর মালিক অণ্য কেউ।কিন্তু নানা সময়ে প্রতারক চক্র হাজী বুলবুল আহমেদের কাছ থেকে প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।
পরে এ টাকা গুলো ফেরত চাইলে।প্রতারক চক্র হাজী বুলবুল আহমেদকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী হাজী বুলবুল আহমেদ জানান তারা আমাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে বলে ভবিষ্যতে আমি অথবা আমার প্রতিষ্টানের কেউ পাওনা টাকা চাইলে তারা আমাকে হত্যা করে লাশ ঘুম করে ফেলবে। ফলে আমি এখন নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।
অভিযুক্ত মাহমুদ হাসান জানান আমার পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ঘুরাইতেছেন।নানা সময় সালিশ বিচারের ব্যবস্তা করে তিনি উপস্থিত হননা।
আরেক অভিযুক্ত মুমিনুর রহমান পাটোয়ারীর সেল ফোনে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Good news
Good