১৪ মে ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
সারাদেশ

ছাতকে মরা চেলা নদী থেকে বালি উত্তোলনে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ

২০ অগাস্ট, ২০২৫

সাকির আমিন,
সুনামগঞ্জ জেলা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

ছবি: ছাতকে মরা চেলা নদী থেকে বালি উত্তোলন করায় এলাকাবাসীর প্রতিবাদ।

ছাতকে মরা চেলা নদী থেকে বালি উত্তোলনে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের মরা চেলা নদীর কাটুমারা এলাকায় কতিপয় বালিখেকো ব্যবসায়ী প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন ও বালতি দিয়ে বালি উত্তোলন করছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতাধীন ছাতক থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত স্থাপিত পাথরবাহী রোপওয়ে লাইন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এঙ্গেল টু নামক স্থানে রোপওয়ে লাইনের নিচ থেকে বালি উত্তোলনের ফলে ট্রেসেল বা টাওয়ারের নিচের অংশে মাটি ও বালি না থাকায় টাওয়ারগুলো হেলে পড়ে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এলাকাটি ইতোমধ্যে দিঘিতে পরিণত হয়েছে। এছাড়া মরা চেলা নদীর তীরে আশ্রয়ন প্রকল্পের সরকারি ঘরে বসবাসরত দশটি ভূমিহীন পরিবারের ঘরের পাশ থেকেও বালি উত্তোলন করায় তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

প্রভাবশালী বালি ব্যবসায়ীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ড্রেজার মেশিনের শব্দদূষণে কাটুমারা, ময়নাদ্বীপ, মুজিবনগর আশ্রয়ন প্রকল্প, সিপাহি টিলা, মৌলভীরগাঁও, পাথারীপুর ও রহমতপুর গ্রামের মানুষ নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না। এসব গ্রামের লোকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার বালি জাহাজ ও বাল্কহেডে বোঝাই করে বিক্রি করা হলেও সরকার কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না। প্রভাবশালী বালিখেকোরা প্রায় ৫০-৬০ ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে টিলার মতো জমিকে দিঘিতে পরিণত করেছে। তারা গাছপালা কেটে বিক্রি করছে এবং অবৈধ বালি ব্যবসায়ীরা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে।

অবৈধ বালি উত্তোলনের প্রতিবাদে নোয়াগাঁও, পাথারীপুর, জৈন্তাপুর, খাদিমনগর ও কোচবাড়ি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। বুধবার সকালে থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খানের সাথে বৈঠক করে বিষয়টি অবহিত করেন তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধ বালি উত্তোলনের ফলে স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ঈদগাহ ও রাস্তা-ঘাট হুমকির মুখে পড়বে। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর এলাকাবাসীর মুরব্বিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলামের সাথেও বৈঠক করেন।

বৈঠকে এলাকাবাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মুরব্বি হাজী আসিদ আলী, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী মাওলানা জহির আহমদ, মাওলানা আকিক হোসাইন, ইউপি সদস্য ছালিক মিয়া, আবুল কালাম, খালেদ আহমদ, সুরুজ মিয়া, সুরুজ্জামান সূর্য, ব্যবসায়ী হুমায়ুন আহমেদ, মাওলানা দ্বীন মোহাম্মদ, আজাদ মিয়া, শিক্ষক হাফিজ সিদ্দিকুর রহমান, সুনু মিয়া, ফুলু মিয়াসহ আরও অনেকে।

Related Article
comment
মোঃ মনির হোসেন বকাউল
29-Sep-23 | 10:09

Good news

মোঃ মনির হোসেন বকাউল
10-Dec-23 | 04:12

Good