০২ অগাস্ট, ২০২৬
ছবি: গ্রেপ্তারকৃত আসামীগণ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে স্থানীয়জনতার হাতেমাদকসহ আটকহওয়ার অভিযোগেধরা পড়াদুই তরুণকেপরবর্তীতে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তারদেখিয়ে আদালতেপাঠানোর ঘটনায়এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টিহয়েছে।
রবিবার ২ আগস্টসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমফেসবুকে ছড়িয়েপড়া প্রায়১ মিনিট১১ সেকেন্ডেরএকটি ভিডিওতেদেখা যায়, স্থানীয় জনতাবরমা ইউনিয়নেরবাইনজুরী এলাকাথেকে কয়েকজনতরুণকে আটককরেছে। ভিডিওতেউপস্থিত জনতাও একরিকশাচালকের কথোপকথনে আটক ব্যক্তিদের কাছেমাদকদ্রব্য থাকার দাবি করা হয়।এক পর্যায়েএকজনকে বলতেশোনা যায়, “চারজন চারকোণায় পাইছি... শরীরে পাইছি।” রিকশাচালকও দাবি করেন, আটক ব্যক্তিরাতাকে দ্রুতরিকশা চালাতেবাধ্য করেছিলএবং তাদেরকাছে মাদকদ্রব্যছিল।
স্থানীয় ইউপি সদস্যআনিছ জানান, গত ১আগস্ট মধ্যরাতেকানাইমাদারী এলাকার দুই তরুণকে স্থানীয়রাআটক করেএবং তাদেরকাছ থেকেইয়াবা উদ্ধারহয়েছে বলেতিনি শুনেছেন।তবে ঠিককতটি ইয়াবাপাওয়া গেছে, সে বিষয়েতিনি নিশ্চিতনন।
অন্যদিকে, পুলিশ সূত্রেজানা যায়, আটককৃত কানাইমাদারীএলাকার জামশেদআলম (২২) ও মেহেদীহাসান সিফাত (২৩)-কেএকটি রাজনৈতিকমামলায় গ্রেপ্তারদেখিয়ে আদালতেসোপর্দ করাহয়েছে। মাত্র ১৫-১৬বছর বয়সেতারা একটিরাজনৈতিক মামলায়অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
চন্দনাইশ থানা পুলিশেরআদালতে দাখিলকরা ফরওয়ার্ডিংপ্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত১ আগস্টদিবাগত রাতেবরকল ইউনিয়নেরমৌলভীবাজার এলাকা থেকে ওই দুইজনকেগ্রেপ্তার করা হয়। প্রতিবেদনে তাদেরস্থানীয় ছাত্রলীগও আওয়ামীলীগের সক্রিয়কর্মী হিসেবেউল্লেখ করে২০১৮ সালেরজাতীয় সংসদনির্বাচনের দিন সংঘটিত হামলা, কেন্দ্রদখল, ককটেলবিস্ফোরণ, মারধর ও লুটপাটের ঘটনায়দায়ের করামামলার আসামিহিসেবে আদালতেসোপর্দ করাহয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাতদন্ত শেষনা হওয়াপর্যন্ত আসামিদেরজামিন নাদিয়ে জেলহাজতেপাঠানোর আবেদনকরেন।
এ বিষয়ে জানতেচাইলে চন্দনাইশথানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. দিদারুলইসলাম সিকদারবলেন, “তাদেরকাছ থেকেকোনো ধরনেরইয়াবা উদ্ধারকরা হয়নি।তারা স্থানীয়যুবলীগের সক্রিয়কর্মী। দক্ষিণজেলা যুবলীগেরনেতা মিজানুররহমানের সঙ্গেতাদের একাধিকছবি রয়েছে।এছাড়া রাজনৈতিকমামলায় তাদেরসম্পৃক্ততার তথ্য থাকায় গ্রেপ্তার দেখিয়েআদালতে পাঠানোহয়েছে।”