০৬ অগাস্ট ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
সারাদেশ / জাতীয় / রাজনীতি / শিক্ষা

দোহাজারীতে ১০০ মেগাওয়াটের উৎপাদন কেন্দ্র আছে, কিন্তু বিদ্যুৎ নেই

০৪ অগাস্ট, ২০২৬

মোঃ আয়ুব মিয়া,
চন্দনাইশ উপজেলা ( চট্টগ্রাম ) প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত

দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ-সাতকানিয়া এলাকার গ্রাহকদের ওপর। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহ এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিদ্যুৎ সংকট ও সরকারের বিদ্যুৎ অব্যবস্থাপনা নিয়ে বিদ্যুৎ যায় বেশি, এসে থাকে কম বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা দেখা যাচ্ছে। 

জানা গেছে, চন্দনাইশ-সাতকানিয়া সীমানায় অবস্থিত দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসের আওতায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৮ দশমিক ৫ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫ মেগাওয়াট। ফলে দুইটি ফিডারে পর্যায়ক্রমে এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

দোহাজারী বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী কে.এম. রোকনুজ্জামান বলেন, "লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই। চাহিদা ৮ দশমিক ৫ মেগাওয়াট হলেও আমরা মাত্র ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছি। আমাদের দুটি ফিডার থাকায় এক ঘণ্টা পরপর একেকটি ফিডারে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় করতে পাশের সাতকানিয়া কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে দুই ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং দেওয়ার চেষ্টা করছি।"

তিনি আরও বলেন, "আমি প্রধান প্রকৌশলীসহ জাতীয় লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার ও সুপারভাইজরি কন্ট্রোল অ্যান্ড ডাটা অধিগ্রহণ কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। চাইলে সেই চিঠির অনুলিপিও দেখাতে পারি। তবে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, সেই অনুযায়ীই আমাদের সরবরাহ করতে হচ্ছে।"

স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, দোহাজারীতে প্রায় ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও কেন এলাকায় এত লোডশেডিং হচ্ছে। এ বিষয়ে আবাসিক প্রকৌশলী বলেন, "কোনো এলাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেই সেই এলাকার জন্য বিদ্যুৎ সংরক্ষিত থাকে না। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়। এরপর জাতীয় চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বণ্টন করা হয়। বর্তমানে উৎপাদন ঘাটতির কারণে সব এলাকাতেই বরাদ্দ কম দেওয়া হচ্ছে।"

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "জুন মাস থেকে বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি মূল্য বেড়েছে। ফলে প্রিপেইড মিটারে টাকা আগের তুলনায় দ্রুত শেষ হচ্ছে। এতে অনেক গ্রাহকের কাছে বিল বেশি মনে হচ্ছে। তবে কারও অতিরিক্ত বা ভুল বিলের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যাচাই করে সংশোধন করা হচ্ছে।"

লোডশেডিংয়ের কারণে বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা বেড়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, "তার চুরির সঙ্গে সাম্প্রতিক লোডশেডিংয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এ ধরনের কয়েকটি ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা করা হয়েছে।"

 

Related Article
comment
ANISUR
12-Mar-25 | 07:03

2466049