০৯ Jul, ২০২৬
Md Ashikur Rahman,
ছবি: পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কুহেস্তাক বন্দরের একটি এলাকা থেকে ধোঁয়া উড়ছে, ৮ জুলাই ২০২৬। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও চিত্র থেকে নেওয়া স্থিরচিত্র
যুক্তরাষ্ট্র গতকাল বুধবার টানা দ্বিতীয় রাতের মতো ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা ইরানের ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পর এটি ছিল সবচেয়ে বড় পরিসরে হামলা।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এ তীব্র বোমাবর্ষণের উদ্দেশ্য হলো ‘হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও নিরপরাধ বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করে দেওয়া’।
আগের রাতের মতো গতকাল রাতেও ইরানজুড়ে বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। এর জবাবে তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন সামরিক অবস্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগপ্রধান হোসেন কেরমানপোর বলেন, যুদ্ধবিরতি বহাল থাকা অবস্থায়ই যুক্তরাষ্ট্র ৭ ও ৮ জুলাই ইরানের পাঁচটি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। হামলায় ১৪ জন শহীদ এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তেহরানের সঙ্গে যুক্ত রেলপথের দুটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরান-তেহরান রেল করিডরের রেলপথও। এ ছাড়া বুশেহরে পারমাণবিক স্থাপনার কাছেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে এবং একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির আলোচনার সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যে গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল। এরপর আজ বৃহস্পতিবারের এই পাল্টাপাল্টি হামলা ছিল সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘাত।