০৮ নভেম্বর, ২০২৬
মোঃ আশিকুর রহমান,
ছবি: ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের লাহোরে দুই সপ্তাহের একটি এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশ নিতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ঢাকা ছেড়েছেন। এই প্রতিনিধিদলে অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।
ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিনিধিদলটিকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
এর আগে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন হাইকমিশনার। সেখানে বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা, পেশাগত সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
তিনি আরো বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নেতৃত্ব দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও জনপ্রশাসনে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্সে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক সুদৃঢ় বন্ধন রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে পাকিস্তান-বাংলাদেশ ‘নলেজ করিডর’-এর কথাও উল্লেখ করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকা সফরের সময় পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দার এই করিডর চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
হাইকমিশনার জানান, ২০২৬ সালে ১৭০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হয়েছেন এবং আরও ২০ জন খুব দ্রুত সেখানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া চলতি বছরের শুরুতে প্রথম ব্যাচে ১২ জন জ্যেষ্ঠ বাংলাদেশি সিভিল সারভেন্ট সফলভাবে এই এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন। বর্তমান প্রতিনিধিদলটি এই উদ্যোগের দ্বিতীয় ব্যাচ হিসেবে অংশ নিচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতারই প্রতিফলন।