১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
সাকির আমিন,
ছবি: ছাতকে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষ
ছাতকে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে, ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষ।
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভারতীয় সীমান্ত বর্তী এলাকার ইসলামপুর ইউনিয়েনে বনগাঁও গ্রাম সংলগ্ন বাহাদুরপুর মৌজাস্থিত ফসলি মাঠ থেকে ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
এ ঘটনায় মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে প্রথমে থানা ও পরে আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ থেকে জানা গেছে গত ২৬ নভেম্বর সকালে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়ে বনগাঁও গ্রামের প্রতিপক্ষ শফিক মেম্বার, দারোগাখালী গ্রামের, দুলাল মিয়া, বনগাঁও গ্রামের লিটন, ফারুক,
ছোবহান, জয়নাল, রেজা মিয়া, খালেদ মিয়া, জমির আলী, লিটন মিয়া, আনর আলী সহ তাদের লোকজন দোয়ারাবাজার উপজেলার পূর্ব সোনাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী, তাঁর ছেলে আরশাদ আলী এবং মোহাম্মদ আলীর ভাতিজা শহিদ মিয়ার ফলানো ক্ষেতের ২লক্ষ ৪০হাজার টাকা মূল্যের প্রায় দুই'শ মন পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়।
এসময় বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি দফায় দফায় ধান কেটে নিয়ে সোমবার সকালে ও ধান কাটা অব্যাহত রেখেছে তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছুদিন আগে স্থানীয় ইছামতি বাজারে ছাতক উপজেলার বনগাঁও এবং লুভিয়া গ্রামের লোকজনের মধ্যে এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় সংঘর্ষ চলাকালে বনগাঁও গ্রামের মানিক মিয়া নামের এক ব্যাক্তি আহত হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় থানা ও আদালতে একাধিক মামলা করা হয়েছে। এর পর থেকে ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের লুভিয়া গ্রাম ও পার্শ্ববর্তি পূর্ব সোনাপুর গ্রাম সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পরে।
এর পর থেকে ইছামতি বাজারে বিভিন্ন দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট ও বাজার সংলগ্ন লুভিয়া গ্রামের কামরুজ্জামানের বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগ এর ঘটনা ঘটে। এদিকে, সংঘর্ষ ও দোকান লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগ এর ঘটনায় থানা ও আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
মামলার বাদী মোহাম্মদ আলী জানান, ধান কেটে নেয়ার বিষয়টি সাথে সাথে থানা পুলিশকে জানালে ছাতক থানার ওসি শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে ধান কাটতে বারন করেন। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই আবারও তাঁর অন্যান্য জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষরা। এখন নিরুপায় হয়ে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
Good news
Good