২৪ অগাস্ট, ২০২৬
মোঃ আয়ুব মিয়া,
ছবি: অভিযানের খন্ডচিত্র
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগে এক সার ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২৪ আগস্ট কৃষকদের সরাসরি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইউরিয়া সার নাইট্রোজেনজাতীয় সারের একটি গ্রুপ। যার আঞ্চলিক নাম সাদা সার। একজন ডিলারের মাসিক বরাদ্দ প্রায় ৪ দশমিক ৫ মেট্রিক টন বা প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কেজি। সরকারি নির্ধারিত মূল্য প্রতি কেজি ২৭ টাকা এবং ৫০ কেজির এক বস্তার মূল্য ১ হাজার ৩৪১ টাকা। প্রতি কেজি সারে ৩ টাকা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হলে মাসে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমার নেতৃত্বে বাগিচাহাট এলাকায় ‘হাসনাত করপোরেশন’-এর স্বত্বাধিকারী মো. ইউসুফ, পিতা মৃত আলীউজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৩ টাকা বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারায় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের ক্রেডিট চেকিং কাম সায়রাত সহকারী নিলয় সেন এবং চন্দনাইশ থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, চন্দনাইশ উপজেলায় সার ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে রশিদের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে না—এমন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া উপজেলার অধিকাংশ ডিলার সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার প্রতি কেজি ২৯ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দ ও নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। তাই সার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্য কার্যকর করা এবং রশিদ প্রদানের বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকির দাবি জানিয়েছেন তারা।
Good news
Good
wonderful news