২৫ অগাস্ট ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
সারাদেশ / অপরাধ

চন্দনাইশে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে ২৩ লাখ টাকার ডাকাতি

২৪ অগাস্ট, ২০২৬

মোঃ আয়ুব মিয়া,
চন্দনাইশ উপজেলা ( চট্টগ্রাম ) প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার দক্ষিণ গাছবাড়িয়া নতুন পাড়া এলাকায় প্রশাসনের লোক পরিচয়ে একটি বসতঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ২৩ আগস্ট অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. খায়ের আহাম্মদ (৫৪)। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে ফজরের আজানের পর খায়ের আহাম্মদ মসজিদে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় বাড়ির প্রধান ফটকের কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তার পিছু নেন। 

তারা নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে খায়ের আহাম্মদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত—এমন অভিযোগ তুলে বাড়িতে তল্লাশি চালানোর কথা জানান। 

অভিযোগে বলা হয়, অস্ত্রের মুখে খায়ের আহাম্মদকে জিম্মি করে তার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বাড়ির প্রধান দরজা খুলতে বলা হয়। পরে তারা ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বিভিন্ন কক্ষের দরজা খুলতে বাধ্য করেন। 

একপর্যায়ে খায়ের আহাম্মদের ছোট ভাই প্রবাসী জাফর আহমদের স্ত্রীর কাছ থেকে আলমারির চাবি নিয়ে সেটি খুলে নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং ১০-১২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। 

এ ছাড়া খায়ের আহাম্মদের মেয়ে জান্নাতুল মাওয়া তারিনের গলা থেকে একটি স্বর্ণের চেইন টেনে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। 

অভিযোগে লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ২৩ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

খায়ের আহাম্মদ অভিযোগে আরও জানান, একপর্যায়ে তিনি কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে পুকুরঘাটে গিয়ে চিৎকার করলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। 

ঘটনার পর ভয়-ভীতির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রবাসে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ২৩ আগস্ট রাত ৭টার দিকে চন্দনাইশ থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন খায়ের আহাম্মদ। তার দাবি, অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদারকে ফোন করা হলে তিনি কলটি কেটে দেন। পরে থানার তদন্ত কর্মকর্তা লিটন মিয়ার কাছে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, থানার বিষয়ে সাংবাদিকদের বক্তব্য না দেওয়ার জন্য ওসির নির্দেশনা রয়েছে।

Related Article