১৭ অক্টোবর, ২০২৩
মুঞ্জরুল হক,
ছবি: প্রতিকি ছবি
গত ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশী ইউনিয়নের কদমতলা এলাকায় ডাকাতীর ঘটনায় চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছে থেকে ধারালো বটি, বার্মিজ চাকু, দড়ি, হেক্সোব্লেড ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীর দুর্গাপুর এলাকার খোকন হোসেন (৩৫), বগুড়ার শাজাহানপুরের মোজ্জাফর হোসেন বিপুল (৩৫) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক বগুড়ার সদরের শিকারপুর এলাকার নজরুল ইসলাম (৪৫)। এদের মধ্যে খোকন ও বিপুল শহরের হরিগাড়ী এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকেন।
সম্প্রতি বগুড়ার ধুনটে সংঘটিত হওয়া একটি ডাকাতীর সাথে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) স্নিগ্ধ আখতার। মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে নিশ্চিত করেন।
তিনি আরো বলেন, গত ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশী ইউনিয়নের কদমতলা এলাকায় আব্দুল মালেকসহ তার দুই ছোট ভাই বাড়ি ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে পড়েন। ডাকাতরা রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় ডাকাতরা ভুক্তভোগীদের মারধর করে নগদ টাকা এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর আব্দুল মালেক ধুনট থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে খোকনকে শনাক্ত করা হয়। খোকনকে শহরের চকসূত্রাপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে পথরোধ করে ডাকাতী, ছিনতাই করে বেড়াতেন। খোকনের নামে বগুড়া ও গাইবান্ধার বিভিন্ন থানায় চুরি ও ডাকাতিসহ ৮টি, বিপুলের নামে চুরি, ডাকাতি ও হত্যাসহ ৮টি এবং নজরুলের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে।