০৭ এপ্রিল ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
সারাদেশ

হারিয়ে যাওয়া কাঠশিল্পে নতুন প্রাণ, রুহিয়ার হাটে স্বপ্ন গড়ছেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী

০৬ এপ্রিল, ২০২৬

আহসান হাবিব রুবেল,
ঠাকুরগাঁও জেলা ( ঠাকুরগাঁও ) প্রতিনিধি

ছবি: স্বপ্ন গড়ছেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী


একসময় হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ কাঠশিল্প এখন আবারও ফিরে পেয়েছে নতুন গতি। -এর রুহিয়া এলাকায় কাঠমিস্ত্রীরা স্বল্প খরচে তৈরি করছেন নান্দনিক ও ব্যবহারযোগ্য আসবাবপত্র, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
 

উচ্চমূল্যের কারণে উন্নতমানের কাঠের আসবাবপত্র যেখানে অনেকের সাধ্যের বাইরে, সেখানে রুহিয়ার কারিগররা তৈরি করছেন কম দামে প্রয়োজনীয় খাট, টেবিল, চেয়ার, শোকেজ, ড্রেসিং টেবিলসহ বিভিন্ন সামগ্রী। ফলে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোও এখন সহজেই ঘর সাজাতে পারছে নিজেদের সাধ্যের মধ্যে।

এলাকাবাসী হামিদুল ও সুমন জানান, কম দামে এসব আসবাবপত্র পাওয়ায় স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের ক্রেতারাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। চাহিদা বাড়ায় অনেক কাঠমিস্ত্রি এখন বাইরের কাজ ছেড়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে এই পেশায় যুক্ত হচ্ছেন। এতে যেমন বেকারত্ব কমছে, তেমনি বাড়ছে তাদের আয়ও।

রুহিয়ার ঐতিহ্যবাহী রামনাথ হাট বসে প্রতি শুক্রবার ও সোমবার। হাটবারে গ্রামের মানুষ গবাদিপশু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে ভিড় জমায়। এই সুযোগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিয়ে আসেন বিভিন্ন ধরনের কাঠের আসবাবপত্র, যা সহজেই ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছে।
হাটে পাওয়া যাচ্ছে—খাট: ১,২০০ থেকে ২,০০০ টাকা,শোকেজ: ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা,ড্রেসিং টেবিল: ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা,টেবিল: ৩০০ থেকে ১,০০০ টাকা,চেয়ার (জোড়া): ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা,আলনা: ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা,দরজা: ৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা,চৌকি: ৪০০ থেকে ১,০০০ টাকা
দামে সাশ্রয়ী হওয়ায় হাট থেকে এসব আসবাবপত্র কিনে অনেক ব্যবসায়ী পিকআপ ও অটো চার্জার, ভ্যানে করে বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বিক্রি না হলেও স্থানীয় বাজার—খোচাবাড়ি ও লাহিড়ীতেও এগুলো বিক্রির সুযোগ রয়েছে।

রুহিয়া মধুপুর এলাকার ফার্নিচার ব্যবসায়ী আক্তারুল ইসলাম বলেন, “কম দামে ভালো মানের আসবাবপত্র তৈরি করায় ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। এতে আমাদের আয়ও ভালো হচ্ছে।”
স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ শুধু গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে না, বরং হারিয়ে যেতে বসা কাঠশিল্পকেও ফিরিয়ে আনছে নতুন সম্ভাবনায়।

Related Article
comment
মোঃ মনির হোসেন বকাউল
29-Sep-23 | 10:09

Good news

মোঃ মনির হোসেন বকাউল
10-Dec-23 | 04:12

Good