২৫ নভেম্বর, ২০২২
মোঃ শামীম হোসাইন,
ছবি: নাটোরে ৭ ইমো হ্যাকার গ্রেফতার
বৃহস্পতিবার রাতে নাটোরে লালপুর উপজেলার বিলমারিয়া বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মৃত শামসেদ মন্ডলের ছেলে মোঃ বেলাল মন্ডল (২৯), মোঃ শাহাবুল ইসলামের ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান (২৪), মোঃ মঞ্জুর রহমানের ছেলে মোঃ মোহন সরকার (১৯), মো. মাজদার প্রামানিকর ছেলে মোঃ শিমুল আলী (১৯), মো. নূর আলম সরকারের ছেলে মোঃ শাহ পরান সরকার (১৯), মোঃ ইয়াসিন আলীর ছেলে মোঃ রবি (২২) এবং মোঃ রিফাজ মন্ডলের ছেলে মোঃ রুবেল মন্ডল (৩২)। এসময় তাদের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল, ১৫টি সিমকার্ড, ২টি বোতল ফেনসিডিল, নগদ ১৫ হাজার ৪০০ টাকা জব্দ করা হয়।
র্যাব নাটোর ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন জানান, ভুক্তভোগী মোঃ মনিরুল ইসলামের (৩৮) চাচাতো ভাই মো. ওয়াসিম সৌদি আরবে থাকেন। তার ইমোর আইডি থেকে ভুক্তভোগীর ইমোতে শ্রমিকের বিল দেওয়ার এজন্য একটি মেসেজ আসে এবং একটি বিকাশ নম্বর দেওয়া হয়। মনিরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে ওই বিকাশ নম্বরে ২১ হাজার ৫০০ টাকা পাঠায়। পরবর্তীতে তার চাচাতো ভাইয়ের ইমো আইডি থেকে বেশ কিছু বিকাশ নম্বর পাঠিয়ে টাকা দিতে বলা হয়। মো. মনিরুল ইসলাম একইভাবে ওই বিকাশ নম্বরগুলোতে মোট ১ লাখ ২০ হাজার ৮৬০ টাকা পাঠায়। এর আগেও তিনি তার চাচাতো ভাইয়ের কথামতো বিকাশে টাকা পাঠিয়েছিলেন। কিছুদিন পর তার চাচাতো ভাই তাকে ফোন করে জানায় যে, তার ব্যবহৃত ইমো অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে।
মোঃ মনিরুল ইসলাম বুঝতে পেরে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র তার চাচাত ভাইয়ের ইমো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে পাঠানো বিকাশ নম্বরগুলো দিয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। পরে তিনি বড়াইগ্রাম বনপাড়া বাইপাস মোড়ে র্যাবের টহল দলের কাছে ইমো হ্যাক করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি জানান।
অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব তথ্য-প্রযুক্তি ও বিশেষ গোয়েন্দা ভিত্তিতে লালপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সেই সংঘবদ্ধ ইমো হ্যাকিং চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করে।
এ ঘটনায় লালপুর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Good news
Good
wonderful news